আতর শিল্প সম্মন্ধে জানুন ও আপনার পছন্দের সেরা আতরটি বেছে নিন

0
2
আতর শিল্প সম্মন্ধে জানুন ও আপনার পছন্দের সেরা আতরটি বেছে নিন
আতর শিল্প সম্মন্ধে জানুন ও আপনার পছন্দের সেরা আতরটি বেছে নিন

আতর শিল্প সম্মন্ধে জানুন ও আপনার পছন্দের সেরা আতরটি বেছে নিন

আতর শিল্প সম্মন্ধে জানুন ও আপনার পছন্দের সেরা আতরটি বেছে নিন

আতর শিল্প

আতর সম্পর্কে সবার হয়তো কম বেশি জানার কথা। তারপরও আজ আমরা এই আতর শিল্প নিয়ে কিছুটা আলোচনা করতে চাই।

আগরঃ

পৃথিবীর অন্যতম একটি প্রাকৃতিক সুগন্ধি পণ্যই হলো এই আগর গাছ। এর আভিধানিক অর্থ খুজতে গেলে পাওয়া যায় উৎকৃষ্ট বা সুগন্ধি বিশিষ্ট কাঠ। চিরসবুজ এই বৃক্ষ টি উচ্চতায় ৬০ থেকে ৭০ ফুট পর্যন্ত হয়ে থাকে ।একটি  পূর্ণাঙ্গ আগর গাছ হতে প্রায় ২০-২২ বছর পর্যন্ত সময় লাগে ।এ বৃক্ষের নির্যাস থেকেই আতর তৈরি হয়। কৃত্রিম এবং প্রাকৃতিক দুই উপায়ে আগর থেকে সুগন্ধিজাতীয় আতর বা পারফিউম উৎপাদন করা হয়। সবচেয়ে বেশি প্রচলন ছিল আমাদের মুঘল আমলে। এর কদর রয়েছে সৌদি আরবসহ মধ্যপ্রাচ্যের নানা দেশে। মূল আগর কাঠ জ্বালিয়ে রাখলে চারপাশে সুগন্ধিতে ভরে ওঠে; অনেকটা ধূপেরমত। ফলে সরাসরি কাঠের আগর-অংশ বা আগর কাঠও মূল্যবান সম্পদ যা সরাসরি মধ্যপ্রাচ্যে রপ্তানি হচ্ছে।

আগর-আতরের ব্যবহারঃ

এই আগর কাঠকে এক প্রকার বলা যায় ঈশ্বরের কাঠ। কেন? পূর্ব এশিয়া ও জাপানে আগর কাঠ পূজার অর্ঘ্য উপকরণ।

মধ্যপ্রাচ্যে আগর কাঠের ব্যবসা ও সমাদর হাজার বছরের পুরনো। আগরের সুগন্ধ প্রশান্তিদায়ক, অনেকেই শরীরের শক্তি বৃদ্ধিতে সহায়ক হিসেবে কাজে লাগে। নানাবিধ ওষুধ, পারফিউম, পারফিউম জাতীয় দ্রব্যাদি-সাবান, শ্যাম্পু এসব প্রস্তুতে আগর তেল ব্যবহার করা হয়। সাধারণত গৃহে, বিভিন্ন ধর্মীয় ও সামাজিক অনুষ্ঠানে সুগন্ধি ছড়ানোর জন্য আগর-আতর ব্যবহার করা হয়। আগর আতরের পাশাপাশি আগর কাঠের গুঁড়া বা পাউডার ধূপের মতো প্রজ্জ্বলনের মাধ্যমে সুগন্ধি হিসেবে ব্যবহার করা হয়। জাতি বর্ণ নির্বিশেষে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান এবং মুসলিম ধর্মালম্বী সবাই আগর আতর ও আগর কাঠের গুঁড়া ব্যবহার করে। আতর বাংলাদেশে তরল সোনা হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছে।

আতরঃ

আগর বৃক্ষের নির্যাস থেকেই আতর তৈরি হয়। অর্থাৎ ভেষজ উৎস থেকে উৎপাদিত সুগন্ধী বিশেষই হলো আতর।

এই আতরসমূহ ইসলামধর্মাবলম্বীর মানুষ ধর্মীয় অনুষ্ঠানে বা নামাজে যাবার আগে আতর ব্যবহৃত হয়। পুরুষের জন্য একমাত্র হালাল সুগন্ধি হচ্ছে আতর। আর মৃতের একমাত্র প্রসাধন ও আতর।

প্রাচীন কালে মিশরীয়রা সুগন্ধী তৈরিতে প্রসিদ্ধ ছিল। বিভিন্ন গাছপালা এবং ফুল থেকে নির্যাস সংগ্রহ করে বিভিন্ন তেলের সাথে মিশিয়ে আতর তৈরি করা হত। পরবর্তিতে বিখ্যাত মুসলিম চিকিৎসক আল শেখ আল-রইস নানা রকম সুগন্ধী তৈরির প্রক্রিয়ায় উদ্ভাবন করেন। পাতন পদ্ধতির সাহায্যে সুগন্ধী তৈরিতে তিনি ছিলেন অন্যতম পথিকৃৎ।

আতরের রাজধানী দুবাইঃ

বিশ্বের নামিদামি সব আতর আসে দুবাই থেকে। দুবাইতে আতরের ওপর কোনো কর বসানো হয় না। তাই বিশ্বের সব নামিদামি কোম্পানিগুলো সেখানে দোকান খুলেছে। দুবাইয়ের নামকরা আতর কম্পানির মধ্যে আছে আজমল, হারমাইন, এরাবিয়ান উদ, রাসাসি, সুরাতি ইত্যাদি। আতর বিক্রি হয় তোলা হিসেবে। এক তোলা সমান ১২ এমএল। উল্লেখ্য, আজমলের প্রসিদ্ধ আতর মুখাললাদ দেহনাল। এক তোলার দাম ৩০ হাজার টাকা। তবে হারমাইনের ৪০০ টাকা তোলা আতরও আছে। হারমাইনের আতরের নাম এমন—ইয়াকুদ, আফফাফ, মিনা ইত্যাদি। এরাবিয়ান উদের আছে উদি স্টাইল, ঘারাম, ঘারাব আর নারীদের জন্য স্টাইলিশ পিংক। ২০ হাজার টাকা তোলা দামের আতর আছে উদের।

ব্র্যানো তেই পাচ্ছেন এখন এসব নামীদামী ব্র্যান্ডের আতরের কালেকশান।  হারমাইন, এরাবিয়ান উদ ইত্যাদি এখন আপনি বাংলাদেশে ঘরে বসেই পেতে পারেন। শুধুমাত্র আমাদের কাছেই ভাল এবং আসল প্রোডাক্টিই পাবেন আপনি।দেরী না করে এখনই কল করুন ০১৭৮১৮৮২৮৮৮ ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here