চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে রোজার উপকারিতা

0
5
চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে রোজার উপকারিতা
চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে রোজার উপকারিতা

চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে রোজার উপকারিতা

চিকিৎসা বিজ্ঞানের দৃষ্টিতে রোজার উপকারিতা  রোজা ইসলামের পাঁচ স্তম্ভের অন্যতম একটি। হাদিসে নামাজের পরই রোজার কথা বলা হয়েছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) হাদিসে কুদসিতে বর্ণনা করেন, মহান আল্লাহতায়ালা ইরশাদ করেন, রোজা আমার জন্য এবং আমি নিজ হাতে রোজার প্রতিদান দান করব।

অন্য হাদিসে আছে- হজরত আবু হুরাইরা (রা.) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ‌’রমজান উপস্থিত হলে জান্নাতের দ্বারসমূহকে উন্মুক্ত করা হয়, দোজখের দ্বারসমূহকে রুদ্ধ করে দেয়া হয়, আর সকল শয়তানকে করা হয় আবদ্ধ।’ (বুখারি ১৮৯৯)

বর্তমান তথ্যপ্রযুক্তি ও গবেষণার যুগে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা গবেষণা করে বলেছেন, যদি সুস্থ থাকতে চাও, তা হলে রোজা রাখ। উপবাস থাক।

ড. আলেগ হিগই বলেছেন, রোজা রাখার ফলে মানসিক শক্তি এবং বিশেষ বিশেষ অনুভূতিগুলো উপকৃত হয়। স্মরণশক্তি বাড়ে, মনোসংযোগ ও যুক্তিশক্তি পরিবর্ধিত হয়। প্রীতি, ভালোবাসা, সহানুভূতি, অতীন্দ্রিয় এবং আধ্যাত্মিক শক্তির বিকাশ ঘটে। ঘ্রাণশক্তি, দৃষ্টিশক্তি, শ্রবণশক্তি প্রভৃতি বেড়ে যায়। এটি খাদ্যে অরুচি ও অনিচ্ছা দূর করে।

রোজা শরীরের রক্তের প্রধান পরিশোধক। রক্তের পরিশোধন ও বিশুদ্ধি সাধন দ্বারা দেহ প্রকৃতপক্ষে জীবনীশক্তি লাভ করে। যারা রুগ্ন তাদেরও আমি রোজা পালন করতে বলি।’

বিখ্যাত মনোবিজ্ঞানী সিগমন্ড নারায়াড বলেন, ‘রোজা মনস্তাত্ত্বিক ও মস্তিষ্ক রোগ নির্মূল করে দেয়। মানবদেহের আবর্তন-বিবর্তন আছে। কিন্তু রোজাদার ব্যক্তির শরীর বারংবার বাহ্যিক চাপ গ্রহণ করার ক্ষমতা অর্জন করে। রোজাদার ব্যক্তি দৈহিক খিচুনী এবং মানসিক অস্থিরতার মুখোমুখি হয় না।’

ডাক্তার ক্লিভ তার পেপটিক আলসার নামক গবেষণামূলক পুস্তকে লিখেছেন- ভারত, জাপান, ইংল্যান্ড, দক্ষিণ নাইজেরিয়াতে অন্যসব এলাকার তুলনায় মুসলিম অধ্যুষিত এলাকায় এই পেপটিক আলসার রোগের প্রকোপ অনেক কম। কেননা তারা সিয়াম পালন করে থাকেন। তাই তিনি জোর দিয়ে বলেছেন- ‘সিয়াম কোনো রোগ সৃষ্টি করে না’।

এ ছাড়া রোজায় অসংখ্য উপকারিতার কথা বিভিন্ন তথ্য গণমাধ্যমে চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা উল্লেখ করেছেন।

আরও দেখুন>>>ইফতারে মুখরোচক ফালাফেল

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here