আপনি কি সবার কাছে বিরক্তিকর,যেনে নিন কি করবেন

0
7
আপনি কি সবার কাছে বিরক্তিকর,যেনে নিন কি করবেন
আপনি কি সবার কাছে বিরক্তিকর,যেনে নিন কি করবেন

আপনি কি সবার কাছে বিরক্তিকর,যেনে নিন কি করবেন

সব বন্ধুরা মিলে দারুণ আড্ডায় মেতেছে, অথচ আপনি চুপচাপ এককোণায় বসে আছেন! ডাকতে ডাকতে সবাই বিরক্ত। অথবা কাউকে কোনো কাজের জন্য পরামর্শ দেবেন বলেছেন অথচ তাকে আজ নই কাল বলে ঘুরাচ্ছেন একটা সময়ে সেও আপনার উপরে বিরক্ত হয়ে যাবে।

আর এভাবে ধীরে ধীরে আপনি সবার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যেতে থাকবেন। তাই আগে আপনাকে জানতে হবে আপনি কেন সবার কাছে বিরক্তিকর। আর সেটাই বাংলাদেশ জার্নালের পাঠকদের জানাবো আজ-

কথাবার্তায় কোনো সংগতি না থাকা

যার মন মানসিকতা স্থির থাকে না সে সংযত হয়ে কথাও বলতে পারে না। তাকে সবারই বিরক্তিকর বলে মনে হয়। এমন বিরক্তিকর মানুষ কথা বলা বা শোনার তাল ঠিক রাখতে পারে না। কথা বলা এবং শোনায় সামঞ্জস্যের অভাব থাকে। হয় সে অনবরত কথা বলতে থাকবে, অন্যের কথার মধ্যে ঢোকার চেষ্টা করবে, কখনো কারো মাঝে কোনো কথাই বলবে না। কখনো সঙ্গত কোনো বিষয়ের মধ্যে আবার অসঙ্গত কথা বলে বিব্রতকর পরিস্থিতি তৈরি করবে।

অন্যের ইশারা-ইঙ্গিতে পাত্তা না দেওয়া

আপনি যদি অতিমাত্রায় বিরক্তিকর হন, তাহলে দেখবেন সে কথোপকথনের সময় অন্য ব্যক্তির ইশারা আপনি বুঝতে পারছেন না। ধরুন আপনি একভাবে কথা বলেই যাচ্ছেন, কাউকে নিয়ে একভাবে সমালোচনা করেই যাচ্ছেন তাহলে আপনাকে সবার বিরক্ত লাগবে। কেউ কায়দা করে আপনাকে থামাতে চাইছে, ইশারা দিচ্ছে কিন্তু আপনার তাতে কোনো হেলদোলই নেই! তাহলে বুঝে নেবেন আপনি অন্যের কাছে অবশ্যই বিরুক্তিকর পাত্র।

আপনার কথায়, আচরণে যদি কেউ আনন্দ না পায়

বিরক্তিকর লোকেরা অন্যকে হাসাতে পারে না। কারণ এরা নিজেরাই কিছুতে মজা পায় না, অন্যেরা কিসে মজা পেতে পারে তারও কোনো ধারণা নেই। আপনি কাউকে কোনো মজার ঘটনা শেয়ার করতে চান, কিন্তু বলতে গিয়ে কথার খেই হারিয়ে ফেললেন। নিজে মুখে হাসি না নিয়ে কথা বললে অন্যেরা হাসবে না। মজার কথাও যদি আপনি গম্ভীর মুখে বলেন তাহলে সেটার মজা আর কীভাবে থাকলো! কাঠখোট্টা বা বিরক্তিকর মানুষরা কখনোই অন্যদের আনন্দ দিতে পারে না।

আপনি যদি একই ধরনের কাজ বার বার করেন

বিরক্তিকর ব্যক্তিরা সবসময় একই ধরনের কাজ করে থাকেন। আপনিও কি তেমন? আপনার জীবন যাপনে কোনো পরিবর্তন দেখা না গেলে, বন্ধু আড্ডায় ঝিমিয়ে থাকলে, সবসময় ‘কিছুই ভালো লাগছে না’ বলতে থাকলে অন্যেরা আপনার ওপর যথেষ্ট বিরক্ত হবে। আপনি কারো সঙ্গে দেখা করতে চান না, নিজের স্বার্থ হাসিলে আপনি পারদর্শী, অথচ অন্যের প্রয়োজনে আপনাকে খুঁজেও পাওয়া যায় না- তখনও আপনাকে সবার বিরক্তিকর লাগবে।

আপনার নিজস্ব মতামত বলে কিছু না থাকলে

বিরক্তিকর মানুষদের নিজেদের মতামত বলতে কিছু থাকে না। তারা সবসময় ‘যা হচ্ছে হোক, কপালে যা আছে তাই হবে, কাছের লোকগুলোই আমার সব সমস্যার সমাধান করে দেবে’- এই চিন্তা ধরে বসে থাকে। এতে হয় আপনি সবার কাছে হাস্যকর হয়ে দাঁড়াবেন, নয়তো আপনি বিরক্তিকর হয়ে যাবেন। আপনাকে সময়-অসময়ে বিভিন্ন সিদ্ধান্ত নিতে হয়, সেটাতেও যদি আপনার তেমন কোনো ভূমিকা না থাকে তবে আপনার কোনো মূল্য কারো কাছে থাকবে না। তাই আপনাকে বিরক্ত লাগাই স্বাভাবিক।

ভালো গল্প বলার ক্ষমতা না থাকলে

মানুষ গল্প ভালোবাসে। আর যারা ভালো গল্প বলতে পারে তারা সবার কাছে অতিমাত্রায় আকর্ষণীয়। কাউকে কোনো কাজের প্রতি উদ্বুদ্ধ করতে চাইলে বা তাকে সাহস দিতে চাইলে তাকে কোনো গল্প বা সফলতার ঘটনা শোনাতে হবে। যাতে করে সে তার কাজটি করার সাহস সঞ্চয় করতে পারে। আপনাকে অন্যদের জীবনের গল্পকেও তুলে ধরতে হবে। এতে করে আপনি সবার কাছে গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠবেন। কিন্তু আপনি যদি ভালো করে গল্প বলতে না পারেন, গল্প বলতে গিয়ে তালগোল পাকিয়ে ফেলেন- তাহলে তো আপনি বিরক্তিকরই বটে।

আপনার মধ্যে সৃজনশীলতা না থাকলে

আমাদের মস্তিস্ক সর্বদা নতুন কিছু খোঁজার জন্য সবসময় সচেষ্ট থাকে। নতুন কোনো বুদ্ধি বা আইডিয়া না থাকলে আপনি সবার কাছে বোরিং। আপনি যদি আপনার কথাকে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলতে চান তাহলে আপনার বক্তব্য সুন্দর হতে হবে, নতুন তথ্য থাকতে হবে। তা না হলে আপনাকে সবার বিরক্ত লাগবে। আপনার মধ্যে তারা কোনো মাধুর্য পাবে না।

আরও দেখুন>>>রমজানের প্রস্তুতি যেভাবে নেবেন কর্মজীবী নারীরা

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here